বার্সেলোনা নয়, জার্মানিরই দায়িত্ব নিচ্ছেন বায়ার্নের সেই কোচ

বায়ার্ন মিউনিখের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে দুই বছর আগেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন হান্সি ফ্লিক। এরপরই তার ওপর নজর পড়ে বার্সেলোনা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার। যদিও তার আগেই হান্সি ফ্লিক জার্মান ফুটবল ফেডারেশনকে মৌখিকভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ইউরোর তিনি জোয়াকিম লো’র পরিবর্তে জার্মানি ফুটবল দলের দায়িত্ব নেবেন।

তবুও আশায় বুক বেধেছিলেন বার্সা সভাপতি। কারণ, মৌখিক প্রতিশ্রুতি আর ফাইনাল কোনো চুক্তি নয়। রোনাল্ড কোম্যানের পরিবর্তে হান্সি ফ্লিককে পেলে খুশিই হতেন তিনি।

কিন্তু লাপোর্তার সেই আশা পূরণ হলো না। জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে পাকাপাকিভাবেই চুক্তি করে ফেলেছেন ফ্লিক। ইউরোর পর সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কোচের দায়িত্ব নেবেন তিনি।

আসন্ন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের পরই জোয়াকিম লো’র স্থলাভিষিক্ত হবেন ফ্লিক। মঙ্গলবার জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফবি) জানিয়ে দিল সে তথ্য। ঘরের মাঠে ২০২৪ ইউরো কাপ পর্যন্ত ফ্লিকের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি করেছে জার্মানি।

এর আগে জার্মান জাতীয় দলে ২০১৪ পর্যন্ত জোয়াকিম লো’র সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন ফ্লিক। ২০১৪ বিশ্বজয়ী জার্মান দলের কৌশল তৈরির নেপথ্যে ফ্লিকেরও হাত ছিল। এবার হেড কোচ হিসেবে জার্মানির জাতীয় দলের দায়িত্ব পেয়ে খুশি বায়ার্নের সদ্য সাবেক হওয়া এই কোচ।

জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাকে কোচের পদে আসীন করায় ফ্লিক জানিয়েছেন, ‘সুযোগটা আমার কাছে আচমকা এসেছে। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে কাজ করতে পারব ভেবে আমি ভীষণ খুশি। দলে ভালোমানের একাধিক ফুটবলার রয়েছে, বিশেষ করে তরুণ ফুটবলাররা। আমি তাদের সঙ্গে কাজ শুরু করতে মুখিয়ে রয়েছি।’

ফ্লিক বলেছেন, পরবর্তী টুর্নামেন্টগুলো নিয়ে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ আমাদের হাতে রয়েছে। বায়ার্নের কোচের হটসিটে মাত্র ১৮ মাস দায়িত্ব সামলে মুলার-লেভানদোভস্কিদের সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছিলেন ফ্লিক।

২০১৯-২০ মৌসুমে ফ্লিকের কোচিংয়ে ৬টি শিরোপা জেতে বাভারিয়ানরা। সাত বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বাদ পায় তারা। ২০২০-২১ মৌসুমে সেই শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও রেকর্ড বর্ধিত করে টানা নবমবার বুন্দেসলিগা জিতেছে বায়ার্ন। আর বায়ার্নে তার কোচিংয়ের অভিজ্ঞতাই জাতীয় দলের কোচিংয়ে পাথেয় হয়ে উঠবে বলে দাবি করেছেন ফ্লিক।